সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ২৫ হাজারের বেশি হজযাত্রী, মৃত্যু ২
২৪ মার্চ ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ
একাত্তরের কালরাতের স্মরণে জাতীয় গণহত্যা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে সারা দেশে প্রতীকী ব্ল্যাক আউট কর্মসূচি পালন করা হবে। সোমবার (২৩ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৫ মার্চ রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে। তবে কেপিআইভুক্ত এলাকা, জরুরি স্থাপনা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি মিশন এই কর্মসূচির আওতার বাইরে থাকবে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, দিবসটির পবিত্রতা ও গাম্ভীর্য রক্ষায় ২৫ মার্চ রাতে দেশের কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত কিংবা বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ গভীর রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরীহ বাঙালি, ছাত্র-শিক্ষক ও পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে হাজারো মানুষকে হত্যা করে। দেশের ইতিহাসে এ রাতটি ‘কালরাত’ নামে পরিচিত। সেই ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞের স্মরণে দিনটি এখন জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।
জাতীয় সংসদে ২০১৭ সালের ১১ মার্চ ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরে ওই বছরের ২০ মার্চ তৎকালীন সরকারের মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে দিনটি গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের অনুমোদন দেয় এবং সে বছর থেকেই ব্ল্যাক আউট কর্মসূচি শুরু হয়। এদিকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এ বছর দীর্ঘ সময় পর আবারও ফিরছে কুচকাওয়াজ। ২৬ মার্চ জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কুচকাওয়াজে অংশ নেবে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। স্থল ও আকাশে নানা কৌশলগত প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হবে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা। প্যারেডে কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আসাদুল হক।