তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে: আক্রান্ত হলে কী করবেন?
২২ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যেকার বিরোধ এখন যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি ইরানকে সামরিক পদক্ষেপের এই আলটিমেটাম দেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, "ইরান যদি এই মুহূর্ত থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণভাবে, কোনো হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাবে এবং সেগুলো ধ্বংস করে দেবে-সবচেয়ে বড়টি দিয়ে শুরু করে!"
বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্নে ট্রাম্পের এই আক্রমণাত্মক অবস্থান বিশ্ব বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে ট্রাম্পের এই হুমকির সমান্তরালে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ আরও বাড়িয়েছে ইরানের একটি দাবি। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে অবস্থিত দুটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফল হামলা চালিয়েছে তেহরান।
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্যমতে:
আক্রান্ত ঘাঁটি: সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আল-মিনহাদ’ ঘাঁটি এবং কুয়েতের ‘আলি আল সালেম’ বিমানঘাঁটি।
হামলার ধরন: ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতি: ইরানের দাবি অনুযায়ী, হামলায় ঘাঁটি দুটির হ্যাঙ্গার ও জ্বালানি ট্যাংকগুলোর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইরান হামলার দাবি করলেও এখন পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত কিংবা কুয়েত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। এমনকি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনও মুখ খোলেনি।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই করিডোর বন্ধ হওয়ার বা সামরিক সংঘাতের আশঙ্কায় গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।
সূত্র: আল জাজিরা