বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

মগবাজারে ‘নবীন ফ্যাশন’ শোরুম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলতে নির্দেশ, হাতিরঝিল থানার ওসি তলব


রাজধানীর মগবাজারের বিশাল সেন্টার মার্কেটে জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়া পাঞ্জাবির শোরুম ‘নবীন ফ্যাশন’ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হাতিরঝিল থানার ওসিকে আদালতে তলব করা হয়েছে।

২৫ মার্চ ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ 

মগবাজারে ‘নবীন ফ্যাশন’ শোরুম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলতে নির্দেশ, হাতিরঝিল থানার ওসি তলব
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

রাজধানীর মগবাজার এলাকার বিশাল সেন্টার মার্কেটে অবস্থিত পাঞ্জাবির শোরুম ‘নবীন ফ্যাশন’ জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনায় আদালত কঠোর অবস্থান নিয়েছে। বুধবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান শোরুমটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী স্বপ্রণোদিত হয়ে আদালত এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে ঘটনাটিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন আদালত।

আদালতের আদেশে বলা হয়, একটি জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে প্রকাশিত খবরে দেখা গেছে- মগবাজারের বিশাল সেন্টার মার্কেটের ‘নবীন’ ব্র্যান্ডের পাঞ্জাবির শোরুমে বহিরাগত একদল লোক পুলিশসহ উপস্থিত হয়ে দোকানটি বন্ধ করে দেয়। এ সময় কিছু ব্যক্তিকে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করতে দেখা গেলেও পাশে থাকা পুলিশ সদস্যদের নির্লিপ্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

আদালত মন্তব্য করেন, পুলিশের এমন নির্লিপ্ততা জনমনে ভীতি সৃষ্টি করতে পারে। কেন এ ধরনের আচরণ আইনবহির্ভূত ও পেশাদারিত্ববিরোধী হিসেবে ঘোষণা করা হবে না- সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তিন দিনের মধ্যে আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় ও ঠিকানা আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে।

ঈদুল ফিতরের আগের দিন ২০ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যায়, কম দামে পাঞ্জাবি বিক্রি করার অভিযোগ তুলে আশপাশের কিছু ব্যবসায়ী রাজধানীর মগবাজারে ‘নবীন ফ্যাশন’-এর শোরুম জোরপূর্বক বন্ধ করে দেন। প্রতিবেশী দোকানদাররা কম দামে পণ্য বিক্রি করাকে আপত্তির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

পরবর্তীতে ২৪ মার্চ ‘নবীন ফ্যাশন’-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফেজ এনামুল হাসান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলমান পরিস্থিতির কারণে তিনি ব্যবসা গুটিয়ে বিদেশে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।