সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

প্রতিটি মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব: তারেক রহমান


সমাজের প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও আত্মসম্মান নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষরা সমাজের বাইরের কেউ নন, বরং তারাও আমাদেরই অংশ এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব।

৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ 

প্রতিটি মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব: তারেক রহমান
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

সমাজের প্রতিটি মানুষের মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়া শহরের একটি হোটেলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি, তবে এমন একটি বাংলাদেশ গড়া সম্ভব, যেখানে মানুষ আত্মসম্মান নিয়ে বাঁচতে পারবে এবং কাউকে অবহেলার চোখে দেখা হবে না। যেখানে প্রতিটি মানুষ সম্মান ও আত্মমর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারবে।

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের প্রতি সামাজিক দায়িত্বের কথা তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, এই শিশুদের অনেকের মধ্যেই অসাধারণ প্রতিভা ও সক্ষমতা রয়েছে। সঠিক সুযোগ ও সহায়তা পেলে তারা দেশ ও সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তিনি বলেন, “তাদের জন্য আলাদা কিছু নয়- শুধু স্বাভাবিকভাবে চলার সুযোগটুকু নিশ্চিত করলেই তারা নিজেদের মেধা ও সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারবে। তারা আমাদের বাইরের কেউ নয়, আমাদেরই সমাজের অংশ।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আসুন আমরা শপথ নিই- আগামী দিনগুলোতে প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের পাশে নিজ নিজ অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব দাঁড়াব। সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার চেষ্টা করি, যেখানে প্রত্যেক মানুষ মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো বগুড়ায় বক্তব্য দেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপি সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ আরও বিস্তৃত করা হবে। অনুষ্ঠানে ১০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর হাতে হুইলচেয়ার তুলে দেওয়া হয়। পরে তারেক রহমান শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান, তাদের খোঁজখবর নেন এবং শিশুদের পরিবেশিত সংগীত উপভোগ করেন। পুরো আয়োজনজুড়ে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠান শেষে তারেক রহমান বগুড়ার বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। পরে তিনি মহাস্থানগড়ে হজরত শাহ সুলতান বলখী মাহী সওয়ার (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত শেষে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন।