বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল, ৩ মাসের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁর ৬টি সংসদীয় আসনের ভোট গননা শেষে ৫টিতে বিএনপি ও ১টিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টার দিকে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে নির্বাচনী ফলাফল সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীষ প্রতীকে নওগাঁ-০১ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর) আসনে ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮১৬ ভোট। নওগাঁ-০৩ (বদলগাছী ও মহাদেবপুর) আসনে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হিয়েছেন মো. ফজলে হুদা। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ১৭ হাজার ৮৩৮ ভোট। নওগাঁ-০৪ (মান্দা) আসনে ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৯২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ইকরামুল বারী টিপু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট। নওগাঁ-০৫ (নওগাঁ সদর) আসনে ১ লক্ষ ২৮ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মো. জাহিদুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩ হাজার ২৩৬ ভোট। নওগাঁ-০৬ (রাণীনগর ও আত্রাই) আসনে ১ লক্ষ ৮ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন শেখ মো. রেজাউল ইসলাম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৮৮৬ ভোট। এছাড়া দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে নওগাঁ-০২ (ধামইরহাট ও পত্নীতলা) আসনে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন মো. এনামুল হক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৩৩টি।
নওগাঁর ৬টি আসনে গনভোটের পক্ষে হ্যাঁ ভোট পড়েছে ১০ লাখ ৩৬ হাজার ৫৮টি এবং না ভোট ৪ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫০টি। এর আগে ৬টি আসনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহন করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা চলে ভোট গ্রহণ হয়
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে- জেলার ১১টি উপজেলায় ৬টি আসনে বিভিন্ন দলের ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন। যেখানে মোট ৭৮২ টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। ৭৫ দশমিক ২৭ শতাংশ ভোট পড়ে।
ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে এবং কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী, পুলিশ, আনসার ও র্যাব নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন বাহিনীর ষ্ট্রাইকিং ফোর্স ও মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক টহলের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল।