এলপিজির সংকট নেই, মজুত করে দাম বাড়ালে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বরে ফুটপাত উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, অগ্নিকাণ্ড ও ভাঙচুরের ঘটনার পরও দখলমুক্ত করার অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মিরপুর-১০ নম্বরে উচ্ছেদ অভিযান পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, নগরবাসীর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম বন্ধ হবে না।
ডিএনসিসি প্রশাসকের দাবি, উচ্ছেদ অভিযানের সময় ফুটপাত দখল করে থাকা ব্যক্তিদের একটি অংশের ইন্ধনে সিটি করপোরেশনের পরিবহনকর্মী, সাংবাদিক ও পুলিশের কয়েকজন সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধের মুখে হামলাকারীরা সরে যেতে বাধ্য হন বলে জানান তিনি।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, অভিযানের সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার পর ডিএনসিসির তিনটি ময়লার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। এ ছাড়া একটি ভেকু ও পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে পরিকল্পিতভাবে একটি মসজিদে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে বলে জানান তিনি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে জানিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, পুলিশের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান তিনি। তার ভাষ্য, উচ্ছেদ অভিযানের সংবাদ সংগ্রহের সময় কয়েকজন সাংবাদিক হামলার শিকার হয়েছেন এবং ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে কয়েকজনকে ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মিরপুরের বাসিন্দারা ফুটপাত দখলমুক্ত করার পক্ষে রয়েছেন- অভিযানের সময় স্থানীয়দের ভূমিকা তারই প্রতিফলন। ভবিষ্যতে কারও প্ররোচনায় আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করা সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবেই ফুটপাত উদ্ধারের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তিনি নিজেকে মিরপুরের সন্তান উল্লেখ করে বলেন, এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি অবগত। ফুটপাত দখলের মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই চলতে দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।