শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং ও শীর্ষ মাদক কারবারিসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার


রাজধানীর মোহাম্মদপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, শীর্ষ মাদক কারবারি ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-২)। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড তাজা গুলি ও ১১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।

২১ আগস্ট ২০২৬, ১:২৬ অপরাহ্ণ 

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাং ও শীর্ষ মাদক কারবারিসহ ৩ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও শীর্ষ মাদক কারবারিসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-২)। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানগুলো পরিচালনা করা হয়।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে বছিলায় র‍্যাব-২-এর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি মো. সেলিম আশরাফী ওরফে চুয়া সেলিম, চাঁদ উদ্যান এলাকার কিশোর গ্যাং ‘মাহী গ্রুপ’-এর সেকেন্ড ইন কমান্ড জয় এবং তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মো. রতন ওরফে বোমা রতন।

র‍্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার জেনেভা ক্যাম্পের একটি আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৩৬ মামলার আসামি ও একাধিক পরোয়ানাভুক্ত চুয়া সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড তাজা গুলি ও ১১০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাবের দাবি, চুয়া সেলিম দীর্ঘদিন ধরে জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় মাদক ব্যবসা, খুন ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত।

একই দিন চাঁদ উদ্যান এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাং ‘মাহী গ্রুপ’-এর অন্যতম সদস্য জয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসহ ১০টি মামলা রয়েছে। র‍্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, জয় ও তার সহযোগীরা চাঁদ উদ্যান ও নবীনগর এলাকায় ব্যবসায়ী এবং সাধারণ বাসিন্দাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।

এ ছাড়া বিজলী মহল্লায় আরেকটি অভিযান চালিয়ে দস্যুতা, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ ২০টি মামলার আসামি মো. রতন ওরফে বোমা রতনকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‍্যাব জানায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বছিলা ও গজনবী রোড এলাকায় অস্ত্রধারী একটি চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।

র‍্যাব-২ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধী চক্রের অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।