রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

জুলাই আন্দোলন অবমাননার অভিযোগ: অভিনেত্রী শাওন ও মাহিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় জিডি


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই আন্দোলনকে কটাক্ষ, অবমাননাকর মন্তব্য ও অপপ্রচারের অভিযোগে জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এবং শান্তা ফারজানা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে তদন্তের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিটে পাঠিয়েছে।

৪ জুলাই ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ 

জুলাই আন্দোলন অবমাননার অভিযোগ: অভিনেত্রী শাওন ও মাহিসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় জিডি
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনা অবমাননার অভিযোগে দেশের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও মাহিয়া মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। শুক্রবার সকালে ‘রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ নামে একটি সংগঠনের তিন কেন্দ্রীয় নেতা শাহবাগ থানায় এই অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগকারী ব্যক্তিরা হলেন- রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আ ন ম আয়াস, কেন্দ্রীয় সংগঠক তুহিন ফরাজী এবং কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ শাহ্ আলম বাদশা। শনিবার সকালে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সেটিকে জিডি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

জিডির এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে অবমাননা ও কটাক্ষ করে বিভিন্ন বক্তব্য ও পোস্ট দিয়ে আসছিলেন। অভিযোগকারীদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ড ও বিভ্রান্তিকর পোস্টের উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনের চেতনাকে সাধারণ মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, লিখিত অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের উপাদানগুলো প্রযুক্তির সহায়তায় যাচাই করার জন্য অভিযোগটি ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটে (ডিবি সাইবার) পাঠানো হয়েছে। সাইবার বিভাগের বিশেষজ্ঞরা অভিযোগে উল্লেখিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন বিতর্কিত পোস্ট, ভিডিও বক্তব্য ও ডিজিটাল লিংকগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করবেন। তদন্তে অপরাধের প্রাথমিক সত্যতা এবং সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।