‘১৮ মাসে ঢাকাকে ১৮ বছর পিছিয়ে দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার’: আবদুস সালাম
১৯ মে ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ
সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে হাম ও হাম সন্দেহজনক রোগী ভর্তি না করার অভিযোগ ওঠার পর এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা থেকে ৬টি জরুরি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনাটিতে স্বাক্ষর করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) ডা. আবু হোসেন মোঃ মঈনুল আহসান। এতে বলা হয়েছে, দেশের সব বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে হাম ও সন্দেহজনক হাম রোগীদের চিকিৎসার জন্য আলাদা ওয়ার্ড বা কেবিন নির্ধারণ করতে হবে। একইসঙ্গে রোগী ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই জরুরি চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, প্রতিটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী মোট শয্যার অন্তত ১০ শতাংশ দরিদ্র রোগীদের জন্য বিনামূল্যে সংরক্ষিত রাখতে হয়। এর অর্ধেক অর্থাৎ মোট শয্যার ৫ শতাংশ হাম ও হাম সন্দেহভাজন রোগীদের জন্য নির্ধারণ করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, কোনো হাসপাতালে ২৫০টি শয্যা থাকলে সেখানে কমপক্ষে ১২টি শয্যা হাম রোগীদের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হবে।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রোগীর সঙ্গে দর্শনার্থীর সংখ্যাও সীমিত করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি ভর্তি রোগীর সঙ্গে সর্বোচ্চ একজন অভিভাবক বা দর্শনার্থী থাকতে পারবেন।
এছাড়া রোগী পর্যবেক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে প্রতিদিন ভর্তি রোগীদের তথ্য ইএমএআইএস সার্ভারে আপলোড করতে হবে। এজন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্ধারিত সার্ভেইলেন্স প্ল্যাটফর্ম surveillance.dghs.gov.bd ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ০১৭৫৯১১৪৪৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হাম রোগীদের চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখতে হবে, যাতে রোগীরা দ্রুত ও সমন্বিত চিকিৎসাসেবা পান।