বিপিএলে ফিক্সিংয়ের সত্যতা পেল বিসিবি, চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
৮ মে ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
আজ ২৫ বৈশাখ। বাঙালির সংস্কৃতি, সাহিত্য ও আত্মপরিচয়ের অন্যতম প্রতীক বিশ্বকবিরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী আজ। প্রতি বছরের মতো এবারও দিনটি ঘিরে দেশজুড়ে নানা আয়োজনে স্মরণ করা হচ্ছে কবিগুরুকে।
বাংলা সাহিত্য, সংগীত, নাটক, ছোটগল্প, প্রবন্ধ ও চিত্রকলায় অসামান্য অবদান রেখে গেছেন রবীন্দ্রনাথ। তার সৃষ্টি শুধু বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বিশ্বসাহিত্যেও তিনি এক উজ্জ্বল নাম। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পুরস্কার অর্জনের মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে বিশেষ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি।
রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা ও দর্শন আজও মানুষের মনে জাগিয়ে তোলে ভালোবাসা, মানবতা ও দেশপ্রেমের অনুভূতি। তার লেখা দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাংলাদেশের ‘আমার সোনার বাংলা’ এবং ভারতের ‘জন গণ মন’ - আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে অনুরণিত হয়।
শুধু সাহিত্যচর্চাই নয়, শিক্ষা, কৃষি ও সমাজ উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন কবিগুরু। ভারতের শান্তিনিকেতনে গড়ে তুলেছিলেন ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি বাংলাদেশের শাহজাদপুর, শিলাইদহ ও পতিসর অঞ্চলে কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করেছিলেন তিনি। এবারের রবীন্দ্রজয়ন্তীর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- “শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ”। এ উপলক্ষে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ, নওগাঁর পতিসর ও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরসহ কবির স্মৃতিবিজড়িত এলাকাগুলোতে আয়োজন করা হয়েছে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনার।
রাজধানী ঢাকাতেও রয়েছে ব্যাপক আয়োজন। বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি এবং ছায়ানট-সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করেছে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। গান, নৃত্য, আবৃত্তি, আলোচনা সভা ও সেমিনারের মধ্য দিয়ে স্মরণ করা হচ্ছে কবিগুরুর জীবন ও কর্মকে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আজও বাঙালির হৃদয়ে জীবন্ত এক প্রেরণার নাম। সময় বদলালেও তার সৃষ্টি ও দর্শনের আবেদন আজও অমলিন।