বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, ঋণখেলাপী ও বকেয়াদাররা প্রার্থী হতে পারবেন না


স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, ঋণখেলাপী, ঋণের জামিনদার এবং ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকা ব্যক্তিদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা আরও কমানো যায় কি না, তা নিয়েও পর্যালোচনা চলছে।

২২ জুলাই ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ 

স্থানীয় নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক, ঋণখেলাপী ও বকেয়াদাররা প্রার্থী হতে পারবেন না
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতার বিষয়ে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। এছাড়া ঋণখেলাপী, ঋণের জামিনদার এবং ইউটিলিটি বিল বকেয়া থাকা ব্যক্তিরাও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নির্বাচন কমিশনের ১২তম সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আওতাধীন ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পরিষদ- এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে কমিশন।

আখতার আহমেদ জানান, কমিশনের অনুমোদিত এসব প্রস্তাব দ্রুত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সংশোধিত আইন কার্যকর হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে ১৬ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে তারা ১৮ বছর পূর্ণ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন। এর আগে পর্যন্ত তাদের তথ্য এনআইডি ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকলেও তা নিষ্ক্রিয় (ডরম্যান্ট) অবস্থায় থাকে। তথ্য সংগ্রহের বয়সসীমা আরও কমিয়ে আনা যায় কি না, তা নিয়ে কমিশন পর্যালোচনা করছে। এ ক্ষেত্রে এসএসসি পর্যায়, অষ্টম শ্রেণি কিংবা প্রাথমিক স্তর-কোন পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ শুরু করা হবে, তা তুলনামূলক বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।