কাফরুলে গুলি: অপপ্রচারের অভিযোগ, আব্বাস আলীর সুনাম ক্ষুণ্নের চেষ্টা
২৭ জুলাই ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
অভিবাসী কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে অনুসন্ধানী, তথ্যনির্ভর এবং নৈতিক সাংবাদিকতার বিকল্প নেই বলে মত দিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যমকর্মীরা। তারা বলেছেন, অভিবাসন খাতে প্রতারণা, শোষণ ও আইনি জটিলতার বাস্তব চিত্র বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরতে পারলে একদিকে যেমন জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে, অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।
রোববার (২৭ জুলাই) ঢাকার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি (বিএনডব্লিউএলএ) আয়োজিত ‘অভিবাসন অধিকার ও ন্যায়বিচার প্রাপ্তি’ শীর্ষক এক প্রেস ক্যাফেতে এসব কথা উঠে আসে। সুইজারল্যান্ড সরকারের অর্থায়নে এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের কারিগরি সহায়তায় বাস্তবায়িত স্ট্রেনদেনড অ্যান্ড ইনফর্মেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস) প্রকল্পের (দ্বিতীয় পর্যায়) ‘অ্যাক্সেস টু জাস্টিস’ কার্যক্রমের আওতায় এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে বিএনডব্লিউএলএ'র পরিচালক মোর্শেদ বিলাল খান বলেন, অভিবাসী কর্মীদের নানা সংকট ও অধিকারবঞ্চনার বিষয়গুলো অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে তুলে ধরলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পথ আরও সুগম হবে। তিনি এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরে সিমস প্রকল্পের কার্যক্রম তুলে ধরে প্রকল্প ব্যবস্থাপক রাফাতুর রহমান রুবা প্রকল্পের লক্ষ্য, কার্যক্রম এবং অভিবাসীদের জন্য ন্যায়বিচার প্রাপ্তির বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন।
আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে এবং গন্তব্য দেশগুলোতে অভিবাসী কর্মীরা প্রতারণা, শোষণ, শ্রম অধিকার লঙ্ঘন এবং ন্যায়বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব বাস্তবতা দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার মাধ্যমে তুলে ধরা গেলে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা অভিমত ব্যক্ত করেন, তথ্যসমৃদ্ধ, অনুসন্ধানমূলক এবং পেশাদার সাংবাদিকতাই অভিবাসীদের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।