ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’ পরিকল্পনায় নিরস্ত্রীকরণে রাজি হামাস
১ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
দীর্ঘদিনের আলোচনা-সমালোচনা ও নানা অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে আগামী ৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। ওইদিন সকাল ৯টায় রাজধানীর গণভবনে স্থাপিত জাদুঘরটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১ আগস্ট) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দীপংকর বিশ্বাস। তিনি জানান, জাদুঘর উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট উদ্বোধনের জন্য সময় বরাদ্দ দিয়েছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গণভবনকে স্মৃতিবিজড়িত একটি জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ওই দিনের ঘটনাপ্রবাহ, আন্দোলনের বিভিন্ন স্মারক এবং সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক উপকরণ সংরক্ষণের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার জাদুঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুর্লভ আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, দলিল-দস্তাবেজ, শহীদ ও আহতদের ব্যবহৃত পোশাক, আন্দোলনে ব্যবহৃত ব্যানার, প্ল্যাকার্ড এবং বিভিন্ন স্মারক। পাশাপাশি গত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের বিভিন্ন নিদর্শনও এখানে স্থান পেয়েছে। তবে নির্মাণকাজ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে একাধিকবার জাদুঘর উদ্বোধনের পরিকল্পনা পিছিয়ে যায়। এ সময় প্রকল্প বাস্তবায়ন ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে, যা জাদুঘরের ভবিষ্যৎ নিয়ে জনমনে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছিল। শেষ পর্যন্ত বর্তমান সরকার উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণ করায় সেই অনিশ্চয়তার অবসান হলো।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস ও চেতনা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে। ইতিহাস সংরক্ষণ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্মৃতি ধরে রাখার ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্বোধনের পরপরই জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষার্থী, গবেষক ও ইতিহাস-আগ্রহীদের জন্য বিশেষ প্রদর্শনী, গাইডেড ট্যুর এবং অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের সুবিধাও রাখা হয়েছে।