শেষ মুহূর্তের গোলে ঘানাকে হারিয়ে শেষ ৩২-এ ক্রোয়েশিয়া
৩০ জুন ২০২৬, ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ
খেলার প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে অনেকটাই ছন্নছাড়া দেখায়। বল দখল ও আক্রমণে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও তাদের খেলায় ছিল ধারহীনতার ছাপ। বিশেষ করে মধ্যমাঠে জাপানের আধিপত্যের কাছে বারবার চাপে পড়েছে আনচেলত্তির শিষ্যরা। ব্রাজিলের দুটি অন-টার্গেট শটই জাপানি গোলরক্ষক সুজুকি সহজে রুখে দেন।
অন্যদিকে, ম্যাচের ২৯তম মিনিটে মিডফিল্ডে দানিলোর একটি ভুল পাস কেড়ে নিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠে জাপান। জাপানি তারকা সানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কাসেমিরোকে পেছনে ফেলে বক্সের প্রায় ২০ গজ দূর থেকে এক জোরালো শটে পরাস্ত করেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক আলিসনকে। প্রথমার্ধে এটিই ছিল জাপানের একমাত্র অন-টার্গেট শট এবং তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় তারা।
বিরতির পর সম্পূর্ণ অন্য এক ব্রাজিলকে দেখা যায় মাঠে। রক্ষণভাগ ও মধ্যমাঠের দুর্বলতা কাটিয়ে শুরু থেকেই জাপানের ওপর আক্রমণের পর আক্রমণ চালাতে থাকে সেলেসাওরা। প্রথমার্ধে জাপানের গোলের পেছনে আংশিক দায়ী থাকা এবং সহজ সুযোগ হাতছাড়া করা কাসেমিরোই এবার ত্রাণকর্তা হয়ে আবির্ভূত হন।
ম্যাচের ৫৬ মিনিটে কর্নার থেকে ভেসে আসা বলে ফাঁকা পোস্টে এক দুর্দান্ত ও শক্তিশালী হেডে ব্রাজিলের পক্ষে সমতা ফেরান (১-১) এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার। গোলরক্ষক সুজুকির তখন চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার ছিল না।
সমতা ফেরানোর চার মিনিট পরই লিড নিতে পারত ব্রাজিল। কিন্তু ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি জোরালো শট পোস্টে লেগে ফিরে আসলে সে যাত্রা বেঁচে যায় জাপান। তবে দাপুটে ফুটবল খেলে ম্যাচের শেষ মূহূর্তে (যোগ করা সময়ে) জয়সূচক গোলটি তুলে নেয় ব্রাজিল।
টানটান উত্তেজনার মাঝে যোগ করা সময়ের ১১তম মিনিটে রেফারি শেষ বাঁশি বাজালে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কার্লো আনচেলত্তির দল। এই জয়ে যেমন ব্রাজিলের শেষ ষোলো নিশ্চিত হলো, তেমনি টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেল লড়াকু জাপান।