রোহিঙ্গা সংকট এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলে প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছিল বার্সেলোনা। একের পর এক আক্রমণে ভ্যালেন্সিয়ার রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রেখে বড় জয় তুলে নিয়েছে কাতালান জায়ান্টরা। লা লিগায় নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়াকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে পূর্ণ ১২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছে হ্যান্সি ফ্লিকের দল।
বার্সেলোনার হয়ে জোড়া গোল করেছেন তরুণ স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। এছাড়া একটি করে গোল করেছেন ফারমিন লোপেজ, রাফিনিয়া ও পেদ্রি।
ভ্যালেন্সিয়ার ঘরের মাঠ মেস্তায়া স্টেডিয়ামে পুরো ম্যাচজুড়েই আধিপত্য দেখিয়েছে বার্সেলোনা। বল দখলে ৭৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি গোলমুখে ১০টি শট নেয় তারা। ম্যাচের শুরু থেকেই স্বাগতিকদের ওপর চাপ তৈরি করে খেলতে থাকে বর্তমান লা লিগা চ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ফারমিন লোপেজের পাস পেয়ে প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে প্রথম ছোঁয়াতেই বল জালে পাঠান ইয়ামাল। এর মাত্র দুই মিনিট পর আবারও বল জালে জড়িয়েছিলেন এই স্প্যানিশ তরুণ। তবে অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়।
২২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফারমিন লোপেজ। আড়াআড়ি শটে ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে দূরের পোস্ট ঘেঁষে বল জালে পাঠান তিনি।
তবে এরপর বার্সেলোনার ভুলে গোলের সুযোগ পেয়েছিল ভ্যালেন্সিয়া। রদ্রির ভুল থেকে দানইয়োমার নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন বার্সেলোনার গোলরক্ষক হুয়ান গার্সিয়া।
প্রথমার্ধের শেষদিকে আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে বার্সেলোনা। ইয়ামালের শট পোস্টের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। লোপেজের শটও গোলরক্ষকের পায়ে লেগে পোস্টের বাইরে চলে যায়। অন্যদিকে ভ্যালেন্সিয়ার কয়েকটি প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে বার্সার ক্লিনশিট ধরে রাখেন গার্সিয়া।
বিরতির পর ৫০তম মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান রাফিনিয়া। লোপেজের বাড়ানো বলে আলতো টোকায় নিজের দলের তৃতীয় গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। টানা তিন ম্যাচে গোল করার পর এবারও স্কোরশিটে নাম তুললেন তিনি। চলতি মৌসুমে এটি তার ষষ্ঠ লিগ গোল। আর লা লিগায় তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০-এ।
এরপর ব্যবধান আরও বাড়ানোর একাধিক সুযোগ পেয়েছিল বার্সেলোনা। রদ্রির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। লোপেজ ও অ্যান্থনি গর্ডনও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। এমনকি লোপেজের বাড়ানো বলেও অল্পের জন্য পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন রাফিনিয়া।
৭৯ মিনিটে চতুর্থ গোল পায় বার্সেলোনা। দানি ওলমোর পাস ধরে দুর্দান্ত গতির শটে ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পেদ্রি। এরপর পেদ্রিকে তুলে নিয়ে নতুন ব্রাজিলিয়ান সাইনিং গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে মাঠে নামান কোচ হ্যান্সি ফ্লিক।
ম্যাচের শেষদিকে আবারও গোলের দেখা পান ইয়ামাল। ৮৪তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে বার্সেলোনার বড় জয় নিশ্চিত করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫-০ গোলের বিশাল ব্যবধানেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। চার ম্যাচে চার জয়ে তাদের সংগ্রহ পূর্ণ ১২ পয়েন্ট। অন্যদিকে ৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।