বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপ খেলবেই: আশার বার্তা ফিফা সভাপতি
১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
রান্নার লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সংকট যেন কোনোভাবেই কাটছে না। বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না; বরং ভোক্তাদের গুনতে হচ্ছে প্রায় দ্বিগুণ দাম। চলতি জানুয়ারিতেও এই সংকট অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমনকি বড় কোনো উদ্যোগ না নিলে আগামী মাসের শুরুতেও সরকারকে এলপিজি নিয়ে বিপাকে পড়তে হতে পারে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ যুগান্তরকে জানান, জানুয়ারি মাসে দেশে এলপিজির চাহিদা ১ লাখ ৫০ হাজার টনের বেশি হলেও এখন পর্যন্ত আমদানির নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে মাত্র ১ লাখ ২০ হাজার টনের। বাকি চাহিদা পূরণে ব্যবসায়ীরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে জানান তিনি। এ লক্ষ্যে সরকার দফায় দফায় আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করছে।
এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশের সভাপতি আমিরুল হক বলেন, রান্নার গ্যাসের সংকট কবে কাটবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকেই মূলত সবাই এলপিজি আমদানির চেষ্টা করছেন। তবে জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি, সরবরাহ জটিলতা এবং অন্যান্য লজিস্টিক সমস্যার কারণে আমদানিতে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
সংকট নিরসনে সরকার সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফিলিপাইনের সঙ্গে এলপিজি আমদানির বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। তবে এসব দেশ থেকে এলপিজি আমদানি করতে কিছুটা সময় লাগবে বলেও ইঙ্গিত দেন তারা। এ বিষয়ে জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে প্রায় ১ লাখ টন এলপিজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তবে সেই এলপিজি দেশে পৌঁছাতে মার্চ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
সব মিলিয়ে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি-এই দুই মাসে এলপিজির বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া কঠিন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে করে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের রান্নাঘরের খরচ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।