শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে ফরোয়ার্ড লুকিং বাংলাদেশ গড়তে চাই: জামায়াত আমির


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতীত নিয়ে বিভাজন বা কামড়াকামড়ির রাজনীতি নয়, ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি ফরোয়ার্ড লুকিং বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় জামায়াত। তিনি বলেন, জনগণের রায়ের প্রতি আস্থা রেখেই সামনে এগোতে চায় তার দল।

২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ 

ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে ফরোয়ার্ড লুকিং বাংলাদেশ গড়তে চাই: জামায়াত আমির
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সারা বাংলাদেশকে ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে একটি ফরোয়ার্ড লুকিং বাংলাদেশ হিসেবে এগিয়ে নিতে চায় জামায়াত। অতীত নিয়ে বিভাজন বা রাজনৈতিক কামড়াকামড়ির রাজনীতি পরিহার করে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর উত্তর কাফরুল এলাকায় ঢাকা–১৫ আসনে নিজের নির্বাচনি জনসংযোগ শুরুর আগে এসব কথা বলেন জামায়াতের আমির। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থীকে ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই আসনে তার একজন বিশেষ প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন এবং তিনি তাকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, সবাই যেন সুন্দরভাবে, ভদ্রভাবে, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নেয়। একে অপরকে সম্মান জানিয়ে নিজ নিজ বক্তব্য জনগণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের হাতেই থাকা উচিত। জনগণ যাকে পছন্দ করবে, সবাই মিলে তাকেই মেনে নিতে হবে এবং তাকে স্বাগত জানাতে হবে।

নিজের নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, এলাকাটিতে জলাবদ্ধতা, রাস্তাঘাট, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সংকট রয়েছে। এখানে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় নেই, মানসম্মত হাসপাতাল নেই, খেলার মাঠ, পার্ক, ওয়াকওয়ে কিংবা ব্যায়ামের জায়গার অভাব রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে একটি আদর্শ এলাকা গড়ে তোলার রূপকল্প তৈরি করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই এলাকা তিনি হৃদয়ে ধারণ করেন এবং এখানকার প্রতিটি সমস্যাকে নিজের মনোজগতে তুলে আনার চেষ্টা করছেন। আল্লাহ সুযোগ দিলে এবং জনগণের রায় ও ভোটে নির্বাচিত হলে, ইনশা আল্লাহ ঢাকা–১৫ আসনকে একটি আদর্শ এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।