বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু
১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
দেশের ছয় জেলায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় শনিবার অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতের কবলে পড়ে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে সুনামগঞ্জ জেলায়। জেলার তাহিরপুর, ধর্মপাশা, দিরাই ও জামালগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- ধর্মপাশার হবিবুর রহমান (২২) ও রহমত উল্লাহ (১৩), তাহিরপুরের আবুল কালাম ওরফে কালা মিয়া (২৮), দিরাইয়ের লিটন মিয়া (৩৮) এবং জামালগঞ্জের নূর জামাল (২২)। তারা অধিকাংশই হাওড়ে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আহত হয়ে মারা যান। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে মিলন রায় (৩০) ও আবু তালেব (৫৫) নামে দুই জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ ঝড়ো হাওয়া ও পরপর বজ্রপাত শুরু হলে তারা আক্রান্ত হন।
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় মমিনা হাওড়ে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে সুনাম উদ্দিন (৩৫) ঘটনাস্থলেই মারা যান। একইভাবে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় বড় হাওড়ে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে হলুদ মিয়া (৩৭) নিহত হন।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় ধান কাটতে গিয়ে রহমত আলী উজ্জ্বল (৪০) এবং গফরগাঁও উপজেলায় মাঠে কাজ করার সময় মমতাজ আলী (৭০) বজ্রপাতে প্রাণ হারান।
নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় হাওড়ে ঘাস কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে আলতু মিয়া (৬৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, হঠাৎ করে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে ঝড়-বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে অধিকাংশ হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে খোলা মাঠ, হাওড় ও বিল এলাকায় কাজ করার সময় মানুষ বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।
এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সবাইকে খোলা জায়গায় অবস্থান না করা, বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।