সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ই-সিগারেট কেন নিষিদ্ধ করা হবে না: হাইকোর্টের রুল


জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বিবেচনায় দেশে ইলেকট্রনিক সিগারেট (ই-সিগারেট) ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ কেন নিষিদ্ধ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্য, শ্রম, অর্থ, বাণিজ্য ও আইন সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ৯ জন বিবাদীকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

২৯ জুন ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ 

ই-সিগারেট কেন নিষিদ্ধ করা হবে না: হাইকোর্টের রুল
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশে ই-সিগারেটের ব্যবহার ও বিপণন বন্ধে আইনি কড়াকড়ির অংশ হিসেবে হাইকোর্ট এই রুল জারি করলেন। আদালতে রিটের পক্ষে আজ শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এবং ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ।

আদেশের পর আইনজীবী নিশাত মাহমুদ সাংবাদিকদের জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ই-সিগারেটকে ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য হিসেবে গণ্য করেছে। বাংলাদেশের বর্তমান আইন অনুযায়ীও ই-সিগারেট বিক্রি বা ব্যবহারের কোনো বৈধ অনুমতি নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও, সরকার রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্যে এটিকে পণ্য হিসেবে বাজারজাত করার অনুমতি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ই-সিগারেট ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য এক বিরাট হুমকি। এই হুমকি বিবেচনায় নিয়েই দেশে ই-সিগারেটের ব্যবহার ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৭ জুন জনস্বার্থ বিবেচনা করে সাইফুদ্দিন আহমেদ, এ. কে. এম. মাসুদ এবং হেলাল নামে তিন ব্যক্তি হাইকোর্টে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিট আবেদনে স্বাস্থ্য সচিব, শ্রম সচিব, অর্থ সচিব, বাণিজ্য সচিব ও আইন সচিবসহ মোট নয়জনকে বিবাদী করা হয়েছিল, যাদেরকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।