শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ৩ দালালের কারাদণ্ড, ৩ জনকে অর্থদণ্ড


বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মিরপুর ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ কার্যালয়ে সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি বন্ধে পরিচালিত এক ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ জন দালালকে ৩০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং আরও ৩ জনকে মোট ২৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ (বা অভিযানের দিন) বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিরা নিজেদের দোষ স্বীকার করায় এই দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়; তবে অভিযান চলাকালে প্রতারক চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য পালিয়ে গেছে।

৯ জুলাই ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ 

মিরপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান:  ৩ দালালের কারাদণ্ড, ৩ জনকে অর্থদণ্ড
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বিআরটিএর মিরপুর ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ কার্যালয়ে দালালচক্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিনজনকে ৩০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং আরও তিনজনকে মোট ২৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) জানায়, অফিসে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধ এবং দালালমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিআরটিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তিরা আদালতের কাছে নিজেদের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তি দিলে আদালত তিনজনকে ৩০ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর তিনজনকে মোট ২৮ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অভিযান চলাকালে প্রতারক চক্রের আরও কয়েকজন সদস্য পালিয়ে যায় বলে জানানো হয়েছে।

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন- ১. নিত্য চন্দ্র সেন (৪০), পিতা: মৃত তরণী কান্ত, নর্দা, বসুন্ধরা, ঢাকা। ২. মো. শামীম (৪৬), পিতা: মো. আরব আলী। ৩. আবজালুল হাসান (৫৬), পিতা: মো. হাসান আলী, ১৬৫/২, মাদারটেক, বাসাবো, ঢাকা।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুজ্জামান বলেন, “একটি প্রতারক চক্র বিআরটিএ কার্যালয়ে আসা গ্রাহকদের দ্রুত কাজ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করে। অনেক ক্ষেত্রে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে। এসব দালাল ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, অভিযান চলাকালে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি তদবিরের চেষ্টা করেন। তবে আইন অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।