বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬

সিলেট ও চট্টগ্রামে বন্যা আতঙ্ক: ১০ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ঝুঁকিতে ৭ জেলা


দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি আশঙ্কা করা হচ্ছে। অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের প্রধান নদীগুলোর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে ১০টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরও ৪টি পয়েন্টে পানি সতর্ক সীমায় রয়েছে। এর ফলে দুই বিভাগের মোট ৭টি জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

৯ জুলাই ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ 

সিলেট ও চট্টগ্রামে বন্যা আতঙ্ক: ১০ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, ঝুঁকিতে ৭ জেলা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি আশঙ্কা করা হচ্ছে। অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের প্রধান নদীগুলোর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে ১০টি পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া আরও ৪টি পয়েন্টে পানি সতর্ক সীমায় রয়েছে। এর ফলে দুই বিভাগের মোট ৭টি জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার তীব্র ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার বুলেটিনে জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এবং উজানে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি হু হু করে বাড়ছে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ৪টি প্রধান নদীর ৬টি স্টেশনে পানি এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে বইছে।কুশিয়ারা নদীর মারকুলি (সুনামগঞ্জ), মনু নদীর মনু রেলওয়ে ব্রিজ ও মৌলভীবাজার সদর, ধলাই নদীর কমলগঞ্জ এবং খোয়াই নদীর বল্লা ও হবিগঞ্জ সদর পয়েন্ট।কুশিয়ারা নদীর শেওলা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর স্টেশন। এই পয়েন্টগুলোতেও পানি যেকোনো সময় বিপৎসীমা পার হতে পারে।

পাহাড়ি ঢলে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।সাঙ্গু নদীর বান্দরবান সদর ও দোহাজারী (চট্টগ্রাম) পয়েন্ট এবং মাতামুহুরী নদীর লামা (বান্দরবান) ও চিরিঙ্গা (কক্সবাজার) পয়েন্ট।চট্টগ্রাম জেলার হালদা নদীর পাঁচপুকুরিয়া পয়েন্ট।

সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বান্দরবান, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলো যেকোনো মুহূর্তে প্লাবিত হতে পারে।পরিস্থিতি বিবেচনায় বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোর স্থানীয় প্রশাসন নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছে। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।