এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলনে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকার’ করতে চায় একটি মহল: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১২:২৬ অপরাহ্ণ
শীতের সকালে রোদের উষ্ণতা মানুষকে যেমন স্বস্তি দেয়, তেমনি শরীরের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সচল রাখতে দারুণ সহায়ক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতকালে প্রয়োজনীয় ভিটামিন–ডি গ্রহণের অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস হলো সূর্যের আলো। সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে ১৫–২০ মিনিট রোদে দাঁড়ালে শরীরে ভিটামিন–ডি উৎপাদন বাড়ে, যা হাড়কে মজবুত রাখতে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে সহায়তা করে।
রোদের অপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা হলো রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি। খুব বেশি শীত পড়লে অনেকের শরীরে সংক্রমণের প্রবণতা বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সূর্যের আলো শরীরে ‘ইমিউন সেল’ সক্রিয় করে, যা সাধারণ সর্দি–কাশি, ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়।
মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও রোদ অত্যন্ত কার্যকর। শীতের সময় দিনের আলোর পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে, ফলে অনেকের মধ্যে অবসাদ, ক্লান্তি ও মনমরা অনুভূতি দেখা দেয়। রোদ মানবদেহে ‘সেরোটোনিন’ নামক হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায়, যা মুড ভালো রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
শীতকালের রোদ স্কিন–কেয়ারের ক্ষেত্রেও উপকারী। সূর্যের আলো ত্বককে প্রাকৃতিকভাবে জীবাণুমুক্ত রাখে এবং রক্তসঞ্চালন বাড়ায়। তবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে সকাল বা বিকেলের নরম রোদে দাঁড়ানোই উত্তম।
চিকিৎসকদের মতে, ঠান্ডা আবহাওয়ার মধ্যেও নিয়মিত কিছুক্ষণ রোদে দাঁড়ানোর অভ্যাস শরীরকে উষ্ণ রাখে, রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে এবং সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখে।
শীতের দিনে তাই অনেকেই খোলা বারান্দা, ছাদ বা আঙিনায় বসে রোদে গা সেঁকেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—সঠিক সময় ও পরিমাণ মেনে সূর্যের আলো গ্রহণ করলে এটি প্রাকৃতিকভাবে সুস্থ থাকার এক সহজ ও কার্যকর উপায়।