বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আজ বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস


আজ ২৯ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য- “Don't Miss a Beat” বা হৃদস্পন্দনের একটি ছন্দও যেন মিস না হয়। আধুনিক জীবনযাত্রা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও তরুণদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ আজ এক নীরব মহামারীতে রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশেও মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪ শতাংশের জন্য দায়ী এই কার্ডিওভাসকুলার রোগ বা হৃদরোগ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য সচেতনতা আর জীবনধারার পরিবর্তনই পারে এই বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধি থেকে আমাদের রক্ষা করতে।

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ণ 

আজ বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর, বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য- “Don't Miss a Beat” বা হৃদস্পন্দনের একটি ছন্দও যেন মিস না হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক জীবনযাত্রা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও তরুণদের মধ্যে উচ্চ রক্তচাপের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ এক নীরব মহামারীতে রূপ নিয়েছে। বাংলাদেশেও মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪ শতাংশের জন্য দায়ী কার্ডিওভাসকুলার বা হৃদরোগ। সচেতনতা আর সামান্য জীবনধারা বদলেই এই মরণব্যাধি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বিশ্ব হৃদপিণ্ড ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বা এর বেশি মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান। এটি বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর ঘাতক ব্যাধি।

বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট মৃত্যুর প্রায় ৩৪ শতাংশ ঘটে হৃদরোগের কারণে।উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বর্তমানে তরুণদের মধ্যেও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের প্রায় ১২ শতাংশই উচ্চ রক্তচাপের শিকার। শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা, ফাস্টফুড নির্ভরতা এবং মানসিক চাপের কারণে এখন কম বয়সীদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এবারের বিশ্ব হৃদপিণ্ড দিবসের মূল বার্তা হলো- হৃদরোগ ও এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো অনেক সময় চোখের আড়ালে বা নীরবে অবস্থান করে। উচ্চ রক্তচাপের মতো নীরব ঘাতক অনেক সময় বড় কোনো আঘাত হানার আগে কোনো উপসর্গ প্রকাশ করে না। বুকে সামান্য অস্বস্তি, অতিরিক্ত ক্লান্তি, সামান্য পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট কিংবা চোরাগোপ্তা ব্যথাকে অবহেলা করা মানেই বড় বিপদের ঝুঁকি ডেকে আনা।

 বিশেষজ্ঞদের মতে, শতকরা ৮০ ভাগ হৃদরোগ প্রতিরোধযোগ্য। জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব ।