বিপিএলে ফিক্সিংয়ের সত্যতা পেল বিসিবি, চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
১০ মে ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় বিশ্ব মা দিবস। সন্তানের জীবনে মায়ের অবদান স্মরণ এবং তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের লক্ষ্যেই দিনটি উদযাপন করা হয়। বাংলাদেশেও দিনটি ঘিরে দেখা গেছে ভিন্নমাত্রার আয়োজন ও উচ্ছ্বাস।
কেউ মায়ের হাতে তুলে দিচ্ছেন ফুল, কেউ উপহার, আবার কেউ ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করে মায়ের সঙ্গে কাটাচ্ছেন কিছু মূল্যবান মুহূর্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট ও শুভেচ্ছা বার্তায় ভরে উঠেছে মানুষের টাইমলাইন।
মা দিবস শুধু আনুষ্ঠানিক কোনো উদযাপন নয়, বরং মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ উপলক্ষ। একজন মা সন্তানের সুখের জন্য নিজের স্বপ্ন, আরাম ও আনন্দ ত্যাগ করেন। অসুস্থতা, ক্লান্তি কিংবা কষ্ট-সবকিছু আড়াল করে সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতেই যেন তার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দ।
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, আধুনিক মা দিবসের সূচনা যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯০৭ সালে আনা জারভিস নামের এক নারী তার মায়ের স্মরণে প্রথমবারের মতো দিনটি পালনের উদ্যোগ নেন। পরে ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘মাদার্স ডে’ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর ধীরে ধীরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিনটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মা দিবসের আয়োজন বেড়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করছে বিশেষ অনুষ্ঠান। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও মা দিবস উপলক্ষে বিশেষ অফার ও উপহারের আয়োজন করেছে।
মায়ের প্রতি ভালোবাসা কেবল একটি দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। প্রতিদিনের আচরণ, যত্ন ও সম্মানের মধ্য দিয়েই মায়ের প্রতি প্রকৃত ভালোবাসা প্রকাশ পায়। কারণ পৃথিবীর সব সম্পর্ক বদলে গেলেও ‘মা’ শব্দটি আজও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সবচেয়ে বড় প্রতীক হয়ে আছে।