বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল, ৩ মাসের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ
রক্তস্বল্পতা মূলত শরীরে পর্যাপ্ত হিমোগ্লোবিনের অভাবে সৃষ্টি হয়, যার প্রধান কারণ আয়রনের ঘাটতি। এ সমস্যা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, শ্বাসকষ্টসহ নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় কিছু নির্দিষ্ট খাবার অন্তর্ভুক্ত করলে রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
সবুজ শাকসবজি রক্তস্বল্পতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পালংশাক, লালশাক ও কলমিশাকে রয়েছে প্রচুর আয়রন ও ফলিক অ্যাসিড। একইভাবে ডাল ও মসুরিতে উদ্ভিজ্জ আয়রনের পাশাপাশি প্রোটিনও পাওয়া যায়, যা রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে।
প্রাণিজ উৎসের খাবারের মধ্যে লাল মাংস, কলিজা ও ডিম রক্তস্বল্পতা কমাতে বেশ কার্যকর। এসব খাবারে থাকা হিম আয়রন শরীর সহজে শোষণ করতে পারে। এছাড়া মাছ বিশেষ করে ছোট মাছ আয়রন ও ভিটামিন বি১২–এর ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।
ফলমূলের মধ্যেও রয়েছে রক্ত তৈরিতে সহায়ক উপাদান। খেজুর, কিশমিশ, ডালিম ও আপেল আয়রনসমৃদ্ধ ফল হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি লেবু, কমলা ও পেয়ারা মতো ভিটামিন সি–সমৃদ্ধ ফল আয়রন শোষণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
পুষ্টিবিদরা আরও জানান, খাবারের পাশাপাশি জীবনযাপনেও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। চা ও কফি খাবারের সঙ্গে বা খাওয়ার পরপরই পান করলে আয়রন শোষণ কমে যায়। তাই এসব পানীয় খাবারের অন্তত এক ঘণ্টা পর গ্রহণের পরামর্শ দেন তারা। সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে রক্তস্বল্পতা একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য সমস্যা হিসেবেই মোকাবিলা করা সম্ভব।