বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল, ৩ মাসের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৫৬ পূর্বাহ্ণ
বর্তমান ব্যস্ত ও চাপপূর্ণ জীবনে মানসিক অবসাদ একটি সাধারণ কিন্তু গুরুতর সমস্যা হয়ে উঠছে। কাজের চাপ, অনিয়মিত জীবনযাপন ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে অনেকেই হতাশা ও মানসিক অস্থিরতায় ভুগছেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যা থেকে মুক্তির একটি সহজ ও কার্যকর উপায় হতে পারে- সকালে উঠে নিয়মিত ব্যায়াম করা।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালের ব্যায়াম মস্তিষ্কে ‘এন্ডরফিন’ ও ‘সেরোটোনিন’ নামক হরমোন নিঃসরণ বাড়ায়, যা স্বাভাবিকভাবে মন ভালো রাখতে সহায়তা করে। এসব হরমোন দুশ্চিন্তা ও বিষণ্নতা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, সকালে হালকা হাঁটা, দৌড়, যোগব্যায়াম বা স্ট্রেচিং মাত্র ২০ থেকে ৩০ মিনিট করলেই মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম করলে ঘুমের মান উন্নত হয়, আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং নেতিবাচক চিন্তা কমে আসে।
ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের একজন মনোরোগ চিকিৎসক বলেন, “যারা সকালের ব্যায়ামকে দৈনন্দিন রুটিনের অংশ হিসেবে নিয়েছেন, তাদের মধ্যে মানসিক অবসাদের উপসর্গ তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের পাশাপাশি ব্যায়াম মানসিক সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখে।”
তবে বিশেষজ্ঞরা এটিও উল্লেখ করেছেন যে, শুধু ব্যায়ামই নয়-পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাবার ও সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখাও মানসিক সুস্থতার জন্য জরুরি।
সব মিলিয়ে বলা যায়, দিনের শুরুতে সামান্য সময় ব্যায়ামের জন্য বরাদ্দ করলেই মানসিক অবসাদ কমানো সম্ভব। তাই সুস্থ শরীর ও মন পেতে সকালের ব্যায়ামকে অভ্যাসে পরিণত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।