সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

বাবার পথ অনুসরণ করে বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মতো প্রতি মাসে নিজের বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও স্বেচ্ছায় তাদের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।

৬ জুলাই ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ 

বাবার পথ অনুসরণ করে বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনুসরণে প্রতি মাসে নিজের বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে মন্ত্রীদের উদ্দেশে একটি ব্যক্তিগত উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একটা কথা বলব। আপনারা চাইলে রাখতে পারেন, নাও রাখতে পারেন। অনেক চিন্তাভাবনা করে মনে হয়েছে বিষয়টি আপনাদের জানানো উচিত। আমার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রতি মাসে তার বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতেন, যাতে সেই অর্থ গরিব-দুঃখী মানুষের কল্যাণে কিংবা রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে ব্যয় করা যায়।’ 

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমার বেসিক বেতন ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এর ১০ শতাংশ অর্থাৎ ১১ হাজার ৫০০ টাকা প্রতি মাসে সরকারি কোষাগারে জমা দিই। বেতন অ্যাকাউন্টে আসার পর সেই অর্থ তুলে সরকারের অ্যাকাউন্টে চেকের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিই।’এ সময় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি যেমন করছি, আপনারাও যদি মনে করেন এবং আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয়, তাহলে প্রতি মাসে নিজেদের বেতনের ১০ শতাংশ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে পারেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই আহ্বানে মন্ত্রিসভার সদস্যরা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই আলহামদুলিল্লাহ বলেছি। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ ও আমাদের কাছে বিনয়ের সঙ্গে বিষয়টি উপস্থাপনের ধরন আমাদের ভালো লেগেছে এবং আমরা এতে আনন্দিত হয়েছি।’