মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে থাকছে সাধারণ ছুটি


প্রতি বছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও ছুটি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। এতে সরকারি চাকরিজীবীরা ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন।

৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ 

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে থাকছে সাধারণ ছুটি
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সরকারি সাধারণ ছুটি থাকবে। সোমবার (৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে ৭ নভেম্বরকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এদিন জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করা হবে।

এদিকে, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের ছুটির সময়সূচিতে পরিবর্তনের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। পূর্বনির্ধারিত ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার নবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ছুটি এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি রয়েছে। এর সঙ্গে ২২ অক্টোবরের ছুটি যুক্ত হওয়ায় ২৩ ও ২৪ অক্টোবরের সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা পাঁচ দিন ছুটি কাটানোর সুযোগ পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা। তবে এই দীর্ঘ ছুটির আগে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ১৭ অক্টোবর শনিবার সরকারি অফিস খোলা থাকবে। ছুটিসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

জরুরি সেবা চালু থাকবে

সরকারি ছুটি কার্যকর হলেও জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবাগুলো স্বাভাবিকভাবে চালু রাখার ব্যবস্থা থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর পরিচালনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট এবং ডাকসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা এর আওতার বাইরে থাকবে।

এ ছাড়া হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাও ছুটির আওতামুক্ত থাকবেন। জরুরি কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত অফিসগুলোও প্রয়োজন অনুযায়ী খোলা থাকবে। ছুটির সময়ে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। অন্যদিকে, আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে সুপ্রিম কোর্ট। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে ছুটির বিস্তারিত শর্ত এবং কোন কোন প্রতিষ্ঠান ও পরিষেবা এর বাইরে থাকবে, তা স্পষ্ট করা হবে।