বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু
১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১:৩৫ অপরাহ্ণ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি মামুনের ফাঁসির দাবি নিয়ে সোমবার সকাল থেকেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে জড়ো হয়েছেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা ও জুলাইতে আহত হওয়া অনেকে।
ব্যানার–পোস্টার হাতে পরিবারের সদস্যরা বলেন, যাদের নির্দেশে তাদের স্বজনদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই। শহীদ মারুফের বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমরা রায় পাব কি না তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তায় ছিলাম। আজ রায় হওয়ার খবর পেয়ে এসেছি। আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে—এর বিচার চাই।”
বেলা ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল–১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল রায় পড়া শুরু করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
মামলার তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও কামাল পলাতক, তবে সাবেক আইজিপি মামুন গ্রেফতারের পর প্রায় এক বছর ধরে কারাগারে আছেন। তিনি ইতোমধ্যে রাজসাক্ষী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তার শাস্তি নিয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। তবে শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ শাস্তি চাওয়া হয়েছে।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহীদ পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ট্রাইব্যুনালের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেন, পরে হাইকোর্টের মাজার রোডসংলগ্ন গেটেও জড়ো হন। কারও হাতে শহীদ স্বজনের ছবি, কারও হাতে প্ল্যাকার্ড—সবাইয়ের একটাই দাবি, আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা।