বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু
২৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।
ফেসবুক পোস্টে ডা. তাসনিম জারা বলেন, বাস্তবিক প্রেক্ষাপটের কারণে তিনি কোনো নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি লেখেন, দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন এবং পরিস্থিতি যাই হোক না কেন সেই ওয়াদা রক্ষা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, দলীয় প্রার্থী হলে স্থানীয় অফিস, সুসংগঠিত কর্মীবাহিনী এবং সরকার ও প্রশাসনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে যোগাযোগের সুবিধা থাকে। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এসব সুবিধা তিনি পাবেন না। এ অবস্থায় জনগণের সমর্থনই তার একমাত্র শক্তি বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে তবেই তিনি তাদের সেবা করার সুযোগ পাবেন।
ডা. তাসনিম জারা তার পোস্টে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের কথা তুলে ধরেন। প্রথমত, আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে ৪ হাজার ৬৯৩ জন ভোটারের স্বাক্ষর একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সংগ্রহ করতে হবে। তিনি জানান, রোববার থেকে এ স্বাক্ষর সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হবে এবং স্বল্প সময়ে এত সংখ্যক স্বাক্ষর সংগ্রহ করা কঠিন হওয়ায় এ কাজে স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা কামনা করেছেন।
দ্বিতীয়ত, তিনি জানান, এর আগে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের সময় যারা আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন, তার পরিবর্তিত সিদ্ধান্তের কারণে কেউ চাইলে সেই অর্থ ফেরত নিতে পারবেন। বিকাশের মাধ্যমে পাঠানো অর্থ ফেরতের জন্য একটি নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ট্রানজেকশন আইডি ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই শেষে অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানো অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়াও শিগগিরই জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ঢাকা-৯ আসনে ডা. তাসনিম জারার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। এখন ভোটারদের সাড়া ও মাঠপর্যায়ের সমর্থনই নির্ধারণ করবে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।