মৈত্রী পাইপলাইনে এলো আরও ৮ হাজার টন ডিজেল
৩ মার্চ ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে পারেনি। এজন্য বিচারক সাব্বির ফয়েজ পরবর্তী তারিখ হিসেবে ২০ মে ধার্য করেন।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।
মামলাটি দায়ের করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন ২০২৪ সালের ১৭ জুন। এতে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও হিসাব ব্যবহার করে ধারাবাহিক লেনদেন, প্রতারণামূলক ট্রেডিং এবং কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দর বাড়িয়ে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেন। এর ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। অভিযোগ অনুযায়ী, এ প্রক্রিয়ায় মোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
প্রধান অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রীর সহায়তায় প্রায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া তার নিয়ন্ত্রণাধীন ১৭টি ব্যাংক হিসাবে ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
মামলায় আরও বলা হয়, সাকিব আল হাসান প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ও সোনালী পেপারস লিমিটেডের শেয়ারে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাজার কারসাজিতে সহায়তা করেন। এ প্রক্রিয়ায় তিনি ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা ‘রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইন’ হিসেবে উত্তোলন করেন, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির বিনিময়ে অর্জিত বলে তদন্তকারী সংস্থা উল্লেখ করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের পর মামলার পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করা হবে।