২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্তের শীর্ষে ঢাকা
২২ জুন ২০২৬, ৮:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে রোববারের ম্যাচটি ছিল বেলজিয়ামের আক্রমণ বনাম ইরানের রক্ষণভাগের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দের মধ্যকার এক তুমুল লড়াই। ম্যাচের ৭০ শতাংশ বল দখলে রেখে গোল অভিমুখে মোট ২৩টি শট নেয় বেলজিয়াম, যার মধ্যে ৭টি ছিল অন-টার্গেট। তবে ম্যাচের নায়ক ৩৩ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ইরানি গোলরক্ষক বেইরানভান্দের দৃঢ়তায় একটি বলও জালের দেখা পায়নি।
অথচ ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেতে পারত ইরান। কেভিন ডে ব্রুইনের ক্রসে ছয় গজ বক্সে স্লাইড করতে যান বেলজিয়ামের রেকর্ড গোলদাতা রোমেলু লুকাকু। বল ধরতে গিয়ে লুকাকুর পা সজোরে আঘাত করে বেইরানভান্দের বুকে। বেশ কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেওয়ার পর বুকে ব্যথা নিয়েই খেলা চালিয়ে যান এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক, যা পরবর্তীতে ইরানের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য করা বেলজিয়াম একাদশ মিনিটে ভালো সুযোগ তৈরি করে। লেয়ান্ড্রো ট্রসাডের শট রক্ষণে প্রতিহত হওয়ার পর মাক্সিম ডি কাইপারের শট দারুণভাবে ঠেকান বেইরানভান্দ। এর তিন মিনিট পর চতুর্দশ মিনিটে বেলজিয়ামকেও রক্ষা করেন তাদের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে হোসেন কানানির জোরাল শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন রেয়াল মাদ্রিদ তারকা।
ম্যাচের ২৫তম মিনিটে এহসান হাজিসাফির ফ্রি-কিক বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জালে পাঠান ইরানের মেহদি তারেমি। উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো ইরান শিবির। তবে ভিএআর -এর সাহায্যে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ডি কাইপারের আরেকটি দুর্দান্ত ভলি ফিরিয়ে সমতা ধরে রাখেন বেইরানভান্দ।
দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে তারেমির আরেকটি জোরাল শট ঠেকিয়ে বেলজিয়ামকে বাঁচান কোর্তোয়া। ৬০তম মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর সেভটি করেন বেইরানভান্দ। ডে ব্রুইনের চমৎকার কাট-ব্যাক থেকে ডি কাইপার যখন কাছ থেকে শট নেন, বেইরানভান্দ তখন মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে শুয়ে থাকা অবস্থাতেই এক হাত বাড়িয়ে বল লাইনের ওপর থেকে ফিরিয়ে দেন তিনি।
ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় বেলজিয়াম। মাঝমাঠের কাছ থেকে গোলরক্ষককে ব্যাক-পাস দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান নাতাঁ উঙ্গয়। শেষ ডিফেন্ডার হিসেবে তিনি পেছন থেকে টেনে ফেলে দেন ইরানের মেহদি তারেমিকে। রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখালে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বেলজিয়াম।
নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে ডি কাইপারের আরও একটি জোরাল শট ঝাঁপিয়ে আটকে ম্যাচের ‘ডেডলক’ ধরে রাখেন বেইরানভান্দ। ফলে গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয় ম্যাচটি। এই ড্রয়ের ফলে বিশ্বকাপের সবশেষ চার ম্যাচে জয়ের মুখ দেখল না বেলজিয়াম (৩ ড্র, ১ হার)। প্রথম ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের পর এটি তাদের দ্বিতীয় ড্র। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করা ইরানও টানা দ্বিতীয় ড্রয়ের স্বাদ পেল।
বর্তমানে ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে ‘জি’ গ্রুপের শীর্ষে আছে ইরান। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বেলজিয়াম। এক ম্যাচ কম খেলা নিউ জিল্যান্ড ও মিশরের পয়েন্ট ১ করে। ইতিহাসে কখনও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠতে না পারা ইরানের সামনে এবার দারুণ সুযোগ রয়েছে। গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় আগামী শনিবার সকালে বেলজিয়াম খেলবে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে এবং একই সময়ে মিশরের মুখোমুখি হবে ইরান।
ক্যালিফোর্নিয়ার সোফি স্টেডিয়ামে রোববারের ম্যাচটি ছিল বেলজিয়ামের আক্রমণ বনাম ইরানের রক্ষণভাগের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দের মধ্যকার এক তুমুল লড়াই। ম্যাচের ৭০ শতাংশ বল দখলে রেখে গোল অভিমুখে মোট ২৩টি শট নেয় বেলজিয়াম, যার মধ্যে ৭টি ছিল অন-টার্গেট। তবে ম্যাচের নায়ক ৩৩ বছর বয়সী অভিজ্ঞ ইরানি গোলরক্ষক বেইরানভান্দের দৃঢ়তায় একটি বলও জালের দেখা পায়নি।
অথচ ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেতে পারত ইরান। কেভিন ডে ব্রুইনের ক্রসে ছয় গজ বক্সে স্লাইড করতে যান বেলজিয়ামের রেকর্ড গোলদাতা রোমেলু লুকাকু। বল ধরতে গিয়ে লুকাকুর পা সজোরে আঘাত করে বেইরানভান্দের বুকে। বেশ কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেওয়ার পর বুকে ব্যথা নিয়েই খেলা চালিয়ে যান এই অভিজ্ঞ গোলরক্ষক, যা পরবর্তীতে ইরানের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য করা বেলজিয়াম একাদশ মিনিটে ভালো সুযোগ তৈরি করে। লেয়ান্ড্রো ট্রসাডের শট রক্ষণে প্রতিহত হওয়ার পর মাক্সিম ডি কাইপারের শট দারুণভাবে ঠেকান বেইরানভান্দ। এর তিন মিনিট পর চতুর্দশ মিনিটে বেলজিয়ামকেও রক্ষা করেন তাদের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে হোসেন কানানির জোরাল শট ঝাঁপিয়ে ব্যর্থ করে দেন রেয়াল মাদ্রিদ তারকা।
ম্যাচের ২৫তম মিনিটে এহসান হাজিসাফির ফ্রি-কিক বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জালে পাঠান ইরানের মেহদি তারেমি। উল্লাসে মেতে ওঠে পুরো ইরান শিবির। তবে ভিএআর (VAR)-এর সাহায্যে অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ডি কাইপারের আরেকটি দুর্দান্ত ভলি ফিরিয়ে সমতা ধরে রাখেন বেইরানভান্দ।
দ্বিতীয়ার্ধের অষ্টম মিনিটে তারেমির আরেকটি জোরাল শট ঠেকিয়ে বেলজিয়ামকে বাঁচান কোর্তোয়া। ৬০তম মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর সেভটি করেন বেইরানভান্দ। ডে ব্রুইনের চমৎকার কাট-ব্যাক থেকে ডি কাইপার যখন কাছ থেকে শট নেন, বেইরানভান্দ তখন মাটিতে পড়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে শুয়ে থাকা অবস্থাতেই এক হাত বাড়িয়ে বল লাইনের ওপর থেকে ফিরিয়ে দেন তিনি।
ম্যাচের ৬৬তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় বেলজিয়াম। মাঝমাঠের কাছ থেকে গোলরক্ষককে ব্যাক-পাস দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারান নাতাঁ উঙ্গয়। শেষ ডিফেন্ডার হিসেবে তিনি পেছন থেকে টেনে ফেলে দেন ইরানের মেহদি তারেমিকে। রেফারি সরাসরি লাল কার্ড দেখালে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বেলজিয়াম।
নির্ধারিত সময়ের চার মিনিট বাকি থাকতে ডি কাইপারের আরও একটি জোরাল শট ঝাঁপিয়ে আটকে ম্যাচের ‘ডেডলক’ ধরে রাখেন বেইরানভান্দ। ফলে গোলশূন্য ড্রয়ে শেষ হয় ম্যাচটি।
এই ড্রয়ের ফলে বিশ্বকাপের সবশেষ চার ম্যাচে জয়ের মুখ দেখল না বেলজিয়াম (৩ ড্র, ১ হার)। প্রথম ম্যাচে মিসরের বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ের পর এটি তাদের দ্বিতীয় ড্র। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করা ইরানও টানা দ্বিতীয় ড্রয়ের স্বাদ পেল।
বর্তমানে ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে ‘জি’ গ্রুপের শীর্ষে আছে ইরান। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বেলজিয়াম। এক ম্যাচ কম খেলা নিউ জিল্যান্ড ও মিশরের পয়েন্ট ১ করে।
ইতিহাসে কখনও বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠতে না পারা ইরানের সামনে এবার দারুণ সুযোগ রয়েছে। গ্রুপ পর্বের শেষ রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় আগামী শনিবার সকালে বেলজিয়াম খেলবে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে এবং একই সময়ে মিশরের মুখোমুখি হবে ইরান।