বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬

সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ফ্রান্স


নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। ফরাসিদের হয়ে ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং অন্য গোলটি করেছেন ব্রাডলে বার্কোলা। অফসাইডের কারণে গোল বাতিল এবং কয়েকবার গোলপোস্টে বল লাগার হতাশা কাটিয়ে অসাধারণ পারফরম্যান্সে জয় তুলে নেয় দিদিয়ে দেশোঁর দল।

১ জুলাই ২০২৬, ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ 

সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ফ্রান্স
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

শুরুতেই একটি সুযোগ পেয়েছিল সুইডেন। তবে এরপর থেকে যা হলো, তার কোনো জবাব খুঁজে পায়নি দলটি। আক্রমণের তোড়ে সুইডেনকে ভাসিয়ে দিল ফ্রান্স। এক ম্যাচ পরই আবার জোড়া গোলের আনন্দে মাতলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। অসাধারণ পারফরম্যান্সে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় উঠল দিদিয়ে দেশোঁর দল।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শেষ বত্রিশের ম্যাচটি ৩-০ গোলে জিতেছে দুইবারের বিশ্বকাপ জয়ীরা। তাদের অন্য গোলদাতা ব্রাডলে বার্কোলা।

ম্যাচের শুরুতে অফসাইডের কারণে কিলিয়ান এমবাপ্পের গোল বাতিল হওয়ার পর দুইবার গোলপোস্টে আঘাত লাগে ফরাসিদের শট। আর কয়েকটি শট গোলবারের পাশ দিয়ে যায় কয়েকবার। ফ্রান্সের মুহুর্মুহু আক্রমণের পরও গোল না হওয়ার হতাশা শেষ পর্যন্ত কেটে গেছে। একাধিক সুযোগ নষ্ট করার পর ৪৫ মিনিটে এমবাপ্পে গোলমুখ খোলেন। বক্সের বাম প্রান্তে বল পেয়ে চমৎকার পায়ের কাজে তার মার্কারকে পরাস্ত করেন, তারপর বেশ কাছ থেকে দূরের পোস্ট দিয়ে জাল কাঁপান। তারপরই দৌড়ে যান মা হারিয়ে কঠিন সময় পার করা কোচ দিদিয়ের দেশমকে সান্ত্বনা দিতে। প্রথমার্ধ শেষে ফ্রান্স ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল। সুইডেন কয়েকটি সুযোগ পেলেও ফরাসি গোলকিপার মাইক মাইগনানের সত্যিকারের পরীক্ষা নিতে পারেনি।

এর আগে ১৭ মিনিটে এমবাপ্পে প্রথম আক্রমণে যান। তার দুর্বল শট সহজেই সুইডিশ কিপার হাতে নেন। তিন মিনিট পর বারকোলার শক্তিশালী শট গোলবারের ওপর দিয়ে যায়। ২১তম মিনিটে অলিসের বাড়ানো বলে মাঝমাঠ থেকে দৌড়ে জালে বল ঠেলে দেন এমবাপ্পে, কিন্তু অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

হাইড্রেশন ব্রেকের পর ফিরে রাবিওর একটি প্রচেষ্টা রুখে দেন সুইডেন কিপার জেটারস্ট্রম। ৩৩ মিনিটে অলিসের পাস থেকে দূরের পোস্টে দাঁড়ানো এমবাপ্পের দারুণ একটি শট গোলপোস্টে আঘাত করে। পরের মিনিটে রাবিও আবার বল গোলবারের ওপর দিয়ে মারেন।

৩৭ মিনিটে বক্সের প্রান্ত থেকে চোখ ধাঁধানো এক গোলের খুব কাছে ছিলেন এমবাপ্পে। কিন্তু তার ওভারহেড কিকটি গোলপোস্টে লাগে। ফিরতি বলে শট নিতে পারেননি উসমান দেম্বেলে। বিরতির দুই মিনিট আগে অলিসের একটি শট গোলবারের পাশ দিয়ে যায়। তারপরই হতাশা দূর করা এক গোল করেন এমবাপ্পে। এটি ছিল বিশ্বকাপে তার ১৭তম এবং এই আসরে পঞ্চম গোল, যার মাধ্যমে তিনি নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের পাশে বসলেন। শীর্ষ গোলদাতা লিওনেল মেসির চেয়ে তারা দুজন এখন এক গোল পেছনে রয়েছেন।