মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক: ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন


ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ। আইসিসি বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করায় বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছে ক্রিকেটারদের বৈশ্বিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ)।

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ৯:১০ অপরাহ্ণ 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক: ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়েছে। ফলে ‘সি’ গ্রুপে এখন স্কটল্যান্ড ইংল্যান্ড, ইতালি, নেপাল ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

এর আগে এই ‘সি’ গ্রুপেই বাংলাদেশের থাকার কথা ছিল। বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিকে ক্রিকেটের জন্য একটি দুঃখজনক মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ)।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টম মোফাতের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটিং জাতির অনুপস্থিতি আমাদের খেলাধুলার জন্য, বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। ক্রিকেট তখনই তার সর্বোচ্চ রূপে পৌঁছায়, যখন প্রতিটি দল ও খেলোয়াড়কে সম্মানের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়, ধারাবাহিক সমর্থন দেওয়া হয় এবং ন্যায্য শর্তে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কিছু উদ্বেগজনক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এর মধ্যে চুক্তি লঙ্ঘন, অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া এবং খেলোয়াড় ও তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনার অভাব উল্লেখযোগ্য। এসব বিষয় খেলোয়াড়দের প্রতি উদাসীন মনোভাবের প্রতিফলন, যা ক্রিকেটের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ডব্লিউসিএ মনে করে, এসব সমস্যা যদি ধারাবাহিকভাবে উপেক্ষিত হয়, তাহলে তা ক্রিকেটের প্রতি আস্থা ও ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং দীর্ঘমেয়াদে খেলাটির ভবিষ্যৎ দুর্বল করে দেবে।

ক্রিকেট নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, বিভাজন বা বর্জনের নীতি পরিহার করে গভর্নিং বডি, লিগ, খেলোয়াড় এবং অন্যান্য সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে। খেলাটিকে বিভক্ত না রেখে ঐক্যবদ্ধ রাখার মাধ্যমেই ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য ও সুস্থতা নিশ্চিত করা সম্ভব।