পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো বড় আসরেও কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে দর্শক টানতে পারছে না আয়োজকেরা। বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকায় এবং স্বাগতিক ভারতের কোনো ম্যাচ ইডেনে না পড়ায় বিশ্বকাপ নিয়ে স্থানীয় দর্শকদের আগ্রহ প্রায় নেই বললেই চলে।
সব ঠিক থাকলে গ্রুপ পর্বে ইডেন গার্ডেন্সে বাংলাদেশের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশ সরে দাঁড়ানোয় সূচিতে পরিবর্তন আসে এবং তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ড অংশ নেয়। তবে স্কটল্যান্ড কিংবা ইতালির মতো দলের ম্যাচে কলকাতাবাসীর আগ্রহ যে খুব একটা নেই, টিকিট বিক্রির চিত্রই তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।
কলকাতার প্রভাবশালী দৈনিক আনন্দবাজার-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোর টিকিট বিক্রি চলছে অত্যন্ত ধীরগতিতে। মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সামনে বসানো অফলাইন টিকিট কাউন্টারগুলোতে তেমন কোনো ভিড় চোখে পড়ছে না। কোথাও কোথাও একসঙ্গে ৫–৬ জন মানুষও দেখা যাচ্ছে না, যা ৬৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার ইডেন গার্ডেন্সের ইতিহাসে বিরল।
টিকিট বিক্রির পরিসংখ্যান আরও হতাশাজনক। এখন পর্যন্ত সব ম্যাচ মিলিয়ে ২১ হাজার টিকিটও বিক্রি হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিক্রি হয়েছে মাত্র ২ হাজার ৯১৭টি টিকিট। স্কটল্যান্ড বনাম ইতালি ম্যাচে অবস্থা আরও শোচনীয় বিক্রি হয়েছে মাত্র ৩৪৮টি টিকিট।
এ ছাড়া ইংল্যান্ড বনাম স্কটল্যান্ড ম্যাচে বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৭৫টি টিকিট, ইংল্যান্ড বনাম ইতালি ম্যাচে ৪ হাজার ৯৭০টি এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ইতালি ম্যাচে ১ হাজার ২৪৮টি টিকিট। গ্রুপ পর্বের বাইরের ম্যাচগুলোতেও চিত্র খুব একটা ভালো নয়। সুপার এইট ও সেমিফাইনাল মিলিয়ে এখন পর্যন্ত টিকিট বিক্রি হয়েছে মোটামুটি ৯ হাজারের মতো।
দর্শকদের এই অনাগ্রহের প্রধান কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে গ্রুপ পর্বে ইডেনে ভারত ও বাংলাদেশের কোনো ম্যাচ না থাকা। বিশেষ করে বাংলাদেশ দলের জনপ্রিয়তা কলকাতায় বরাবরই চোখে পড়ার মতো, যা এবারের বিশ্বকাপে অনুপস্থিত।
তবে টিকিট বিক্রি কম হলেও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে না আয়োজক সংস্থা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)। ম্যাচ আয়োজনের জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে প্রাপ্ত অর্থেই তাদের খরচ উঠে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।