শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যুতে ‘মব-কালচার’ শুরুর অভিযোগ জামায়াত আমিরের


ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক–এ যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, তা বর্তমান সরকার সমর্থিত ‘মব-কালচার’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা বলে মনে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ 

বাংলাদেশ ব্যাংক ইস্যুতে ‘মব-কালচার’ শুরুর অভিযোগ জামায়াত আমিরের
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বাংলাদেশ ব্যাংককে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দেশের অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে, তা বর্তমান সরকার সমর্থিত ‘মব-কালচার’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

পোস্টে তিনি লেখেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও তার উপদেষ্টার মতো সম্মানিত ব্যক্তিদের এভাবে অপমান করার অধিকার কারও নেই। দেশের অর্থনীতি এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে রয়েছে- ফ্যাসিবাদের প্রভাব, সর্বস্তরে দুর্নীতির বিস্তার, চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে পরিস্থিতি নাজুক। এর মধ্যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর একটিতে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হলে অর্থনীতির অবশিষ্ট অংশও ধ্বংস হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান মনে করেন, এ ধরনের বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সমাজের সব স্তর থেকে প্রতিবাদ হওয়া উচিত। তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মব তৈরি করে দায়িত্বশীল ও দক্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের উৎপাতের খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা প্রশাসনিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি।

একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে হলে এসব অপতৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে বলেও দাবি জানান জামায়াত আমির। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে নয়; বরং যোগ্যতা, দেশপ্রেম ও সক্ষমতার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনআস্থা পুনর্গঠিত হবে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।