মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৪৭ বিলিয়ন ডলার


দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ হিসাবে গ্রস রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

২৫ আগস্ট ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ 

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৪৭ বিলিয়ন ডলার
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট বা গ্রস রিজার্ভ আরও বেড়েছে। ২৪ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৪৬৭ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার বা ৩৭ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আইএমএফের বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ হাজার ৬১৬ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার বা ৩২ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। এর আগে ২০ আগস্ট পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৭ হাজার ৩৪৮ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩২ হাজার ৫৩২ দশমিক ৮৯ মিলিয়ন ডলার।

সে হিসাবে চার দিনের ব্যবধানে দেশের গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে ১১৮ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভ বেড়েছে ৮৩ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্যেও রিজার্ভে ধারাবাহিক বৃদ্ধির চিত্র দেখা যাচ্ছে। ১২ আগস্ট গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩২ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে মূলত দেশের ব্যবহারযোগ্য বা নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হিসাব করা হয়। মোট বা গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দেওয়ার পর যে অর্থ অবশিষ্ট থাকে, সেটিই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়।

রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বৈদেশিক লেনদেন, আমদানি দায় পরিশোধ এবং সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রার সক্ষমতার জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই শেষে গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী ছিল ৩১ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার।