মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন ২০২৬-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন


আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে আরও জনবান্ধব ও সময়োপযোগী করতে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় সোমবার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ 

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন ২০২৬-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে আরও জনবান্ধব ও সময়োপযোগী করতে প্রণীত ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (২৪ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৮তম বৈঠকে খসড়াটির অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৯৭৯ সালের ‘দ্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশ’-এর অধীনে গঠিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে অধিক জনবান্ধব করার লক্ষ্যে বিদ্যমান অধ্যাদেশটি যুগোপযোগী করে বাংলায় নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। খসড়াটি জনমত যাচাইয়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনে বিদ্যমান অধ্যাদেশ রহিত করার পাশাপাশি এর অধীনে সম্পন্ন কার্যক্রমের হেফাজতের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ বাহিনীর অধীনে একজন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পরিচালিত হবে।

আইনের খসড়ায় ব্যাটালিয়নকে জননিরাপত্তা রক্ষা, ভিআইপি ব্যক্তিদের নিরাপত্তা এবং সরকার ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, মাদক, মানবপাচার, ধর্ষণ ও মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তার দায়িত্বও থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, ফৌজদারি কার্যবিধি ও প্রচলিত অন্যান্য আইন মেনে ইউনিটের সদস্যদের ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ আদালত ও সংক্ষিপ্ত আদালত গঠন এবং সেগুলোর বিচারপ্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে খসড়াটি লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।