মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হলেও সচল থাকবে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


অমানবিক সেবা ও ছয় নবজাতকের মৃত্যুর দায়ে রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হলেও আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। আজ সোমবার (১৫ জুন) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, কলেজের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাদের অন্য হাসপাতালে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের (প্র্যাক্টিস) সুযোগ দেওয়া হবে।

১৫ জুন ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ 

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হলেও সচল থাকবে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে কার্যক্রম বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজ বন্ধ করা হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। সোমবার ঢাকায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, 'আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অন্য হাসপাতালে প্র্যাক্টিস করতে পারবে। তাদের আরও হাসপাতাল আছে, সেখানে নিতে পারে। অমানবিক সেবার কারণে আমরা কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস-২০২৬ উপলক্ষে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় অংশ নিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আদ্-দ্বীন হাসপাতাল-সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলেন।

এর আগে গত ১১ জুন মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে অক্সিজেন সংকট ও চরম গাফিলতির কারণে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করে সরকার। একই সঙ্গে তিন দিনের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হলেও আদ্-দ্বীন উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিষয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের পাঠানো চিঠিতে কলেজের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের প্রয়োজন অনুযায়ী অন্য হাসপাতালে সংযুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ চালিয়ে নেওয়ার পথ খোলা থাকছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ওঠা অমানবিক সেবার অভিযোগ এবং তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় পাওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার এই কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।