মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড: ৪১ বছর বয়সে রোনালদোর জোড়া গোল
২৫ জুন ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়ে বেইজিংয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এরপর চীনের সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার ও সশস্ত্র সালাম প্রদর্শন করে। এ সময় দু’দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্মানার্থে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। গার্ড অব অনার পরিদর্শন শেষে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন।
বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক দুটি চুক্তি ও ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি এদিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন ব্যবসা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং চীনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত 'বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম'-এর বিশেষ আলোচনায় অংশ নিয়ে চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।
সফরের অংশ হিসেবে আজ চীনের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও নীতিনির্ধারকদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শুক্রবার (২৬ জুন) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার সূচি রয়েছে। রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ওই দিনই ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করবেন সরকারপ্রধান।
এর আগে চীনের দালিয়ান প্রদেশে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলন শেষে গত বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে বুলেট ট্রেনে বেইজিং পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ডব্লিউইএফ-এর এই সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এরও বেশি রাজনৈতিক, ব্যবসায়ী ও শিক্ষাবিদ প্রতিনিধি অংশ নেন। সেখানেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নেন এবং বাংলাদেশের জলবায়ু ও অর্থনৈতিক নানা উদ্যোগ তুলে ধরেন।