বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল, ৩ মাসের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
৩১ মার্চ ২০২৬, ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ
রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর কুর্মিটোলা সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এবং প্রতিমন্ত্রী এম রাশেদুজ্জামান মিল্লাত। সোমবার (৩০ মার্চ) তারা এই পরিদর্শনে যান।
পরিদর্শনকালে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ডাঃ হুমায়রা সুলতানা এবং অন্যান্য পরিচালকরা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। পরে বিমানের কনফারেন্স কক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিমানের বর্তমান রুট নেটওয়ার্ক, বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনা, আর্থিক অগ্রগতি, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন এবং আসন্ন হজ অপারেশনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করা হয়। এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমানের অভিজ্ঞ ও দক্ষ জনবলের প্রশংসা করেন এবং উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা) বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস দেশের জাতীয় গর্বের প্রতীক। এই প্রতিষ্ঠানকে আরও আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও যাত্রীবান্ধব করে গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের সদিচ্ছাকে কাজে লাগিয়ে বিমানকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে অন্য সংস্থাগুলোও তা অনুসরণ করে।
যাত্রীদের লাগেজ চুরির ঘটনায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন মন্ত্রী। তিনি জানান, এ বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে প্রবাসীসহ সব যাত্রীর সঙ্গে কেবিন ক্রু ও কর্মীদের আচরণ হতে হবে সম্মানজনক ও পেশাদার।
টিকিট বিক্রি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন তিনি। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ফ্লাইটে আসন ফাঁকা যাওয়ার বিষয়টি কার্যকরভাবে তদারকি করার নির্দেশনা দেন। পাশাপাশি হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সময়মতো সম্পন্ন করা এবং হজযাত্রীদের সন্তুষ্টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। এছাড়া বিমানের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত মান বজায় রাখার নির্দেশ দেন।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বিমানের অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে মন্ত্রণালয় সবসময় পাশে থাকবে। চুক্তি স্বাক্ষর সাপেক্ষে ২০৩২ সালের মধ্যে নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হতে পারে বলেও জানান তিনি। এ সময় ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত বিমানের অপারেশনাল কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমানের ফ্লাইট ক্যাটারিং সেন্টার ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।