নেতানিয়াহুকে যুদ্ধ থামানোর আহ্বান ট্রাম্পের
১৫ জুন ২০২৬, ৮:৫৯ পূর্বাহ্ণ
দুই দলের আক্রমণ ও পাল্টা-আক্রমণে ম্যাচ জুড়ে টানটান উত্তেজনা থাকলেও গোলমুখ খুলতে পারছিল না কেউই। ডিফেন্ডারদের দারুণ দৃঢ়তায় পুরো ম্যাচে ফরোয়ার্ডরা খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে দুই দল মিলিয়ে অন-টার্গেট শট নিতে পেরেছে মাত্র ৫টি, যার মধ্যে ইকুয়েডরের শট ছিল স্রেফ ১টি। ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতার দিনে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রেখেছে গোলপোস্ট ও ক্রসবার।
ম্যাচের প্রথমার্ধে প্রথম গোল করার সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিল ইকুয়েডর। ৩০তম মিনিটে লাতিন আমেরিকার দলটির ফরোয়ার্ড অ্যালান মিন্দার নেওয়া এক বুলেট গতির শট আইভরি কোস্টের গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় ০-০ সমতায়।
বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণের ধার বাড়ায় আফ্রিকার পরাশক্তি আইভরি কোস্ট। তবে ৫২তম মিনিটে এবার ভাগ্যদেবী মুখ ফিরিয়ে নেয় তাদের ওপর থেকেও। আইভরি কোস্টের স্ট্রাইকার এলি ওয়াহির নেওয়া দুর্দান্ত এক শট ইকুয়েডরের গোলপোস্টে লেগে প্রতিহত হলে নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় তারা।
ম্যাচের ঘড়ির কাঁটা যখন ৯০ মিনিটে পৌঁছায়, তখন স্টেডিয়ামের সবাই ধরেই নিয়েছিল ম্যাচটি গোলশূন্য ড্রতে শেষ হতে যাচ্ছে। ঠিক তখনই জাদুকরী মুহূর্তের জন্ম দেন আমাদ দিয়ালো। ইকুয়েডরের রক্ষণব্যুহ একক নৈপুণ্যে ভেদ করে নিখুঁত এক শটে বল জালে জড়ান এই তরুণ উইঙ্গার। তার এই নাটকীয় গোলের সাথে সাথেই আইভরি কোস্টের সাইডবেঞ্চ ও গ্যালারিতে উল্লাসের বন্যা বয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ওই একটি গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
এই রোমাঞ্চকর জয়ের পর গ্রুপ ‘ই’-এর সমীকরণ বেশ জমে উঠেছে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে গোল ব্যবধানে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে ইউরোপীয় পরাশক্তি জার্মানি। সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আইভরি কোস্ট। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে হেরে যথাক্রমে টেবিলের তিন ও চারে অবস্থান করছে ইকুয়েডর ও কুরাসাও।