মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড: ৪১ বছর বয়সে রোনালদোর জোড়া গোল
২৬ জুন ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গত সোমবার রাতে এক রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের বিস্তারিত তুলে ধরতে শুক্রবার দুপুরে বেইজিংয়ের দিয়াওতাই হোটেলের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের অর্জনগুলো গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুর ইসলাম রনি।
মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, বৃহস্পতিবার দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে অত্যন্ত সফল দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনার ওপর ভিত্তি করেই দুই দেশের পারস্পরিক সম্মতিতে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিগুলোর বিন্যাস নিচে দেওয়া হলো:
মিনিস্ট্রি টু মিনিস্ট্রি (১৩টি): দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে উভয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এই ১৩টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই হয়।
বিনিয়োগ সংক্রান্ত (৩টি): বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং চীনের বিভিন্ন অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) মধ্যে এই ৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, যা দেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
রাজনৈতিক দলভিত্তিক (১টি): এটি রাজনৈতিক দল টু রাজনৈতিক দল (পলিটিক্যাল পার্টি টু পলিটিক্যাল পার্টি) পর্যায়ে স্বাক্ষরিত হয়েছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশে বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের ক্ষমতাসীন দল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে এই চুক্তিটি সই হয়।
উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে যোগ দিতে চীনের দালিয়ানে পৌঁছান। সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে বুধবার রাতে তিনি বেইজিংয়ে আসেন। বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ও শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে বৈঠক শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলো সম্পন্ন হয়।
চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গত সোমবার রাতে এক রাষ্ট্রীয় সফরে চীনে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের বিস্তারিত তুলে ধরতে শুক্রবার দুপুরে বেইজিংয়ের দিয়াওতাই হোটেলের কনফারেন্স হলে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের অর্জনগুলো গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুর ইসলাম রনি।
১৭টি সমঝোতা স্মারকের বিস্তারিত মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, বৃহস্পতিবার দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে অত্যন্ত সফল দ্বিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এই আলোচনার ওপর ভিত্তি করেই দুই দেশের পারস্পরিক সম্মতিতে মোট ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিগুলোর বিন্যাস নিচে দেওয়া হলো:
মিনিস্ট্রি টু মিনিস্ট্রি (১৩টি): দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে উভয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এই ১৩টি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই হয়।
বিনিয়োগ সংক্রান্ত (৩টি): বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং চীনের বিভিন্ন অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) মধ্যে এই ৩টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়, যা দেশে চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
রাজনৈতিক দলভিত্তিক (১টি): এটি রাজনৈতিক দল টু রাজনৈতিক দল (পলিটিক্যাল পার্টি টু পলিটিক্যাল পার্টি) পর্যায়ে স্বাক্ষরিত হয়েছে। অর্থাৎ, বাংলাদেশে বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের ক্ষমতাসীন দল চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে এই চুক্তিটি সই হয়।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে ঢাকা থেকে রওয়ানা হয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে যোগ দিতে চীনের দালিয়ানে পৌঁছান। সেখানে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে বুধবার রাতে তিনি বেইজিংয়ে আসেন। বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং ও শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে বৈঠক শেষে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলো সম্পন্ন হয়।