ইরানকে ট্রাম্পের নতুন হুমকি: ৪৮ ঘণ্টায় চুক্তি না হলে ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’
১ এপ্রিল ২০২৬, ১:০৪ অপরাহ্ণ
মধ্যপ্রাচ্যে পবিত্র ঈদুল আজহা ২০২৬ সালের সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞানভিত্তিক পূর্বাভাসে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আগামী বছরের মে মাসের শেষার্ধে অর্থাৎ ২৬ মে পবিত্র আরাফাত দিবস পালিত হতে পারে। এর ধারাবাহিকতায় ২৭ মে উদযাপিত হতে পারে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা।
ভৌগোলিক অবস্থান ও চাঁদ দেখার প্রথাগত নিয়মের কারণে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশে সাধারণত সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর ঈদ পালন করা হয়। সেই আন্তর্জাতিক রীতি অনুযায়ী, যদি মধ্যপ্রাচ্যে ২৭ মে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়, তবে বাংলাদেশে ২৮ মে ঈদুল আজহা পালনের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের পূর্বাভাসের সঙ্গে মিল রেখে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন ও ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশিরভাগ দেশেই একই দিনে ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে।
পবিত্র ঈদুল আজহা মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসবের সঙ্গে জড়িয়ে আছে হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-এর ত্যাগ ও আনুগত্যের ঐতিহাসিক ঘটনা। বর্ণনা অনুযায়ী, আল্লাহর নির্দেশে পুত্রকে কোরবানি করার প্রস্তুতি নেন হজরত ইব্রাহিম (আ.)। আল্লাহর প্রতি তাঁর নিঃশর্ত আনুগত্যের পরীক্ষা হিসেবে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শেষ মুহূর্তে আল্লাহর পক্ষ থেকে পুত্র ইসমাইলের পরিবর্তে একটি পশু কোরবানি করার ব্যবস্থা করা হয়।
এই ঘটনার স্মরণে প্রতিবছর সামর্থ্যবান মুসলমানরা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করেন। ইসলামে কোরবানির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর এবং এটি ত্যাগ, আনুগত্য ও আত্মসমর্পণের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত।
সূত্র: গালফ নিউজ।