বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

গোলশূন্য ম্যাচ, টাইব্রেকারে জয়ের হাসি বাংলাদেশের


গোলশূন্য নির্ধারিত সময়ের পর রোমাঞ্চকর টাইব্রেকারে ভারতকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রাখল বাংলাদেশ। মালদ্বীপের মালেতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে দৃঢ় মানসিকতা ও লড়াকু পারফরম্যান্সে জয় নিশ্চিত করে লাল-সবুজের দল।

৪ এপ্রিল ২০২৬, ৯:১৬ পূর্বাহ্ণ 

গোলশূন্য ম্যাচ, টাইব্রেকারে জয়ের হাসি বাংলাদেশের
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল উত্তেজনার পারদ ছিল তুঙ্গে। মালদ্বীপের মালেতে শুক্রবার অনুষ্ঠিত সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের এই ফাইনালে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ।

ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় ভারত। ডান প্রান্ত থেকে রোহেনের বাড়ানো ক্রসে আবরাশের হেড অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। শুরুতে চাপে পড়লেও দ্রুতই নিজেদের গুছিয়ে নেয় বাংলাদেশ। দুই উইংয়ে মানিক ও রোনান সুলিভানের গতিময় আক্রমণে ভারতীয় রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে তারা।

১৩ মিনিটে সুলিভানের ফ্রি-কিক থেকে অধিনায়ক মিঠু চৌধুরীর হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২৫ মিনিটে বাংলাদেশের টানা চাপের মুখে পড়ে ভারত। ইউসুফকে লক্ষ্য করে নেওয়া থ্রো-ইন থেকে তৈরি হওয়া সুযোগটি শেষ পর্যন্ত গোলরক্ষকের হাতে ধরা পড়ে। ৩৫ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন ডি-বক্স ছেড়ে বেরিয়ে এলেও বলের নাগাল পাননি। তবে ভারত সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে সুলিভানের অ্যাক্রোবেটিক হাফ-ভলি গোলপোস্টের ওপর দিয়ে চলে গেলে গোলশূন্যভাবেই বিরতিতে যায় দুই দল।

দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশল নেয় বাংলাদেশ। ভারত একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলরক্ষক মাহিন সেগুলো ঠেকিয়ে দেন। ৬৪ মিনিটে তার একটি ভুলেও গোল খাওয়ার শঙ্কা তৈরি হলেও সৌভাগ্যক্রমে রক্ষা পায় দল।

৬৬ মিনিটে ডেকলান সুলিভানকে মাঠে নামিয়ে আক্রমণ জোরদারের চেষ্টা করেন কোচ মার্ক কক্স। তবে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা মেলেনি। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে ভারতের বিশাল সুযোগ নষ্ট হলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বাংলাদেশ।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত ৪ মিনিটেও গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানে স্নায়ুচাপ সামলে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।এই জয়ে দক্ষিণ এশিয়ার বয়সভিত্তিক ফুটবলে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল বাংলাদেশের তরুণরা।